জুলাইর ওয়াসিম হত্যা-মামলার আসামিকে এনসিপির শীর্ষ নেতৃত্ব দেওয়া কি পুরস্কার? প্রশ্ন- কারা মেরেছে তবে ওয়াসিমকে?


জুলাইর ওয়াসিম হত্যা-মামলার আসামিকে এনসিপির শীর্ষ নেতৃত্ব দেওয়া কি পুরস্কার? প্রশ্ন- কারা মেরেছে তবে ওয়াসিমকে?
চট্টগ্রামে জুলাই সংঘাতের প্রথম নিহত ছাত্রদল নেতা ওয়াসিম হত্যা মামলার অন্যতম আসামি এ কে এম জিয়াউদ্দিন ওরফে জিয়া রনিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো নিয়ে তীব্র বিতর্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যে নগরজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রশ্ন উঠেছে, খুনের আসামিকে এমন পদায়ন কি তবে পুরস্কার? তাহলে ওয়াসিমের প্রকৃত হত্যাকারী কারা? হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে জামিনে মুক্ত থাকা এই আসামিকে এনসিপির চট্টগ্রাম মহানগর কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক করার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নিহতের পরিবার ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃত্ব। ২০২৪ সালের ১৬ই জুলাই চট্টগ্রামের মুরাদপুর এলাকায় সহিংসতা চালাতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন ছাত্রদল নেতা ওয়াসিম আকরাম। গুরুতর অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে ওই বছরের ১৮ই আগস্ট নিহত ওয়াসিমের মা মোসাম্মৎ জোসনা আক্তার বাদী হয়ে পাঁচলাইশ মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্তের ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের ২৩শে জুন পুলিশ একেএম জিয়াউদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে এবং পরদিন ২৪শে জুন আদালতে সোপর্দ করে। মামলার মূল এজাহারে তার নাম না থাকলেও সিসিটিভি ফুটেজ ও তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২০২৫ সালের ৭ই জুলাই তিনি আদালত থেকে জামিনে মুক্ত হন। ২০২৬ সালের ১৪ই মে অনুমোদিত এনসিপির চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটিতে ‘জিয়া রনি’ নামে এই একেএম জিয়াউদ্দিনকেই যুগ্ম আহ্বায়ক পদে মনোনীত করা হয়। একাধিক নথিপত্র ও তথ্য বিশ্লেষণ করে নিশ্চিত হওয়া গেছে, ওয়াসিম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া জিয়াউদ্দিন এবং এনসিপির নবগঠিত কমিটির জিয়া রনি একই ব্যক্তি। এনসিপির পদ পাওয়ার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে একেএম জিয়াউদ্দিন দাবি করেন, তাকে চার্জশিট থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে তার এই দাবি খারিজ করে দিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পাঁচলাইশ থানার উপপরিদর্শক নুরুজ্জামান। তিনি জানান, মামলার তদন্ত প্রতিবেদন এখনো আদালতে জমা পড়েনি এবং কোনো আসামিকে বাদ দেওয়ার আবেদনও করা হয়নি। ফরেনসিক সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। ছেলে হত্যার আসামিকে রাজনৈতিক পদে বসানোয় চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ওয়াসিমের বাবা শফিউল আলম। তিনি আরও জানান, তিনি কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ দেননি; অথচ একটি সৌজন্য সাক্ষাতের ভিডিও ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকরভাবে প্রচার করা হয়েছে যে তিনি এনসিপিতে যোগ দিয়েছেন। তিনি সরকারের কাছে পুত্রহত্যার সঠিক ও নিরপেক্ষ বিচার দাবি করেছেন। অন্যদিকে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জহির উদ্দিন বাবর অভিযোগ করে বলেন, হত্যা মামলার আসামিকে কমিটিতে পদ দিয়ে এনসিপি মূলত জুলাই চেতনা ও নিহতের রক্তের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। বিতর্কের মুখে এনসিপির সাংগঠনিক সম্পাদক সুজাউদ্দিন জানান, বিষয়টি নজরে এসেছে এবং এ নিয়ে মহানগর পর্যায়ে বিস্তারিত আলোচনা চলছে। আইনজীবীদের সাথে কথা বলে মামলার তথ্য ও আইনি অবস্থান সম্পর্কিত বিষয়গুলো পরিষ্কার করা হবে বলে তিনি জানান।

সর্বশেষ :

জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন   জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন   জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন সাফে ভারতের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কাছেই পাত্তা পেল না পাকিস্তান   সাফে ভারতের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কাছেই পাত্তা পেল না পাকিস্তান শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প   শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন   বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন   ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।   মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প   ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প