জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে সেন্ট্রাল ডাটাবেজ করার দাবি তরুণদের


জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে সেন্ট্রাল ডাটাবেজ করার দাবি তরুণদের
সড়ক দুর্ঘটনায় হতাহতদের প্রকৃত সংখ্যা নির্ধারণ এবং কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে সমন্বিত জাতীয় সেন্ট্রাল ডাটাবেজ প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন যুব সংগঠনের প্রতিনিধিরা। তাদের দাবি, সরকারি-বেসরকারি সংস্থার পরিসংখ্যানে বড় ধরনের পার্থক্য থাকায় সড়ক দুর্ঘটনার প্রকৃত চিত্র নিরূপণ ও তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস উপলক্ষে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) হিসাবে ২০২৫ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় পাঁচ হাজার ৪৯০ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির হিসাবে ছয় হাজার ৭২৯টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৯ হাজার ১১১ জন এবং আহত ১৪ হাজার ৮১২ জন। একই বছরে অন্য একটি হিসাবে সাত হাজার ৫৮৪টি দুর্ঘটনায় সাত হাজার ৩৫৯ জন নিহত ও ১৬ হাজার ৪৭৬ জন আহত হয়েছেন। ২০২৪ সালেও পরিসংখ্যানে বড় ব্যবধান দেখা গেছে। বিআরটিএর হিসাবে ওই বছর নিহতের সংখ্যা পাঁচ হাজার ৩৮০ জন। বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির হিসাবে ৮ হাজার ৫৪৩ জন এবং রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের হিসাবে সাত হাজার ২৯৪ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) গ্লোবাল স্ট্যাটাস রিপোর্ট অন রোড সেফটি ২০২৩ অনুযায়ী, ২০২১ সালে বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় আনুমানিক ৩১ হাজার ৫৭৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশীয় সরকারি হিসাবের সঙ্গে এ ব্যবধান দুর্ঘটনার তথ্য সংগ্রহ, যাচাই ও সমন্বয়ের ক্ষেত্রে বিদ্যমান সীমাবদ্ধতা দূর করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে। যুব সংগঠনগুলোর মতে, একটি সমন্বিত সেন্ট্রাল ডাটাবেজে দুর্ঘটনার স্থান, সময়, ধরন, যানবাহন, সড়কের অবস্থা এবং নিহত ও আহতের তথ্য সংরক্ষণ করা হলে ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক ও দুর্ঘটনার কারণ শনাক্ত করে কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হবে। পাশাপাশি সড়ক নিরাপত্তা কার্যক্রমের অগ্রগতি মূল্যায়ন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এ লক্ষ্যে বিআরটিএ, পুলিশ, হাসপাতাল ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার তথ্য সমন্বয়, দুর্ঘটনা নথিভুক্তকরণে অভিন্ন মানদণ্ড প্রণয়ন, হতাহত ব্যক্তিদের হালনাগাদ তথ্য সংরক্ষণ এবং ব্যক্তিগত গোপনীয়তা সুরক্ষিত রেখে নিয়মিত জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা প্রতিবেদন প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন তারা। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমাতে নির্ভরযোগ্য তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনার বিকল্প নেই। তাই জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে একটি কার্যকর জাতীয় সেন্ট্রাল ডাটাবেজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সমন্বিত, জবাবদিহিমূলক ও প্রমাণভিত্তিক সড়ক নিরাপত্তাব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

সর্বশেষ :

জয় বাংলা—রণাঙ্গনের গর্জন থেকে চেতনার মহাকাব্য   জয় বাংলা—রণাঙ্গনের গর্জন থেকে চেতনার মহাকাব্য অভিষেকের ৩৫ বলের সেঞ্চুরি, পাওয়ারপ্লেতে ভারতের বিশ্বরেকর্ড   অভিষেকের ৩৫ বলের সেঞ্চুরি, পাওয়ারপ্লেতে ভারতের বিশ্বরেকর্ড ব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে গোপনে দেশত্যাগ ওয়াশিংটনের প্রার্থী ফ্লাভিও’র; পরিবারের সদস্যদেরও ভিসা দেবে ট্রাম্প প্রশাসন   ব্রাজিলে নির্বাচনে হেরে গোপনে দেশত্যাগ ওয়াশিংটনের প্রার্থী ফ্লাভিও’র; পরিবারের সদস্যদেরও ভিসা দেবে ট্রাম্প প্রশাসন জাপান-বাংলাদেশ ইপিএঃ চার বছর পরিশ্রমের ফসল; রপ্তানিতে নতুন সুযোগ, ২০২৭ সালের প্রথমার্ধে কার্যকরের সম্ভাবনা   জাপান-বাংলাদেশ ইপিএঃ চার বছর পরিশ্রমের ফসল; রপ্তানিতে নতুন সুযোগ, ২০২৭ সালের প্রথমার্ধে কার্যকরের সম্ভাবনা বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাঁধা জামায়াতে ইসলামীর, জাবিতে যুদ্ধাপরাধী সাঈদি’র কুশপুত্তলিকা দাহ   বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাঁধা জামায়াতে ইসলামীর, জাবিতে যুদ্ধাপরাধী সাঈদি’র কুশপুত্তলিকা দাহ বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাঁধা জামায়াতে ইসলামীর, জাবিতে যুদ্ধাপরাধী সাঈদি’র কুশপুত্তলিকা দাহ   বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফনে বাঁধা জামায়াতে ইসলামীর, জাবিতে যুদ্ধাপরাধী সাঈদি’র কুশপুত্তলিকা দাহ ২৩’এর বৈঠকে বিনিয়োগ পরিবেশ সৃষ্টির অনুরোধ, ২৬’এ বাংলাদেশে পাঁচ বছরে ৬ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের আগ্রহ জাপানের   ২৩’এর বৈঠকে বিনিয়োগ পরিবেশ সৃষ্টির অনুরোধ, ২৬’এ বাংলাদেশে পাঁচ বছরে ৬ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের আগ্রহ জাপানের ইউনূসের জাপান সফরের ১৭ মাসঃ পাঁচ বছরে জাপানে ১ লাখ বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর চুক্তির অগ্রগতি কতোটা?   ইউনূসের জাপান সফরের ১৭ মাসঃ পাঁচ বছরে জাপানে ১ লাখ বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর চুক্তির অগ্রগতি কতোটা?