পাকিস্তানেও সাড়া ফেলছে সঞ্জয় লীলা বানসালির প্রথম ওয়েব সিরিজ ‘হীরামান্ডি’,
অনলাইন নিউজ ডেক্স
অবিভক্ত ভারতের লাহোরের ইতিহাস-সংস্কৃতির প্রেক্ষাপটে নির্মিত ওয়েব সিরিজ ‘হীরামান্ডি: দ্য ডায়মন্ড বাজার’ সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে। গত ১ মে ওয়েব সিরিজটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সে মুক্তি পায়। ‘হীরামান্ডি’ পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানসালির প্রথম ওয়েব সিরিজ। প্রকাশের পর থেকেই দর্শকমহলে ব্যাপক প্রশংসিত হচ্ছে এটি। আট পর্বের সিরিজটি আইএমডি রেটিংয়েও আছে ভালো অবস্থানে।
এদিকে সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে সঞ্জয় লীলা বানসালি জানিয়েছেন, প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানের মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় ছিলেন। ‘হীরামান্ডি’ দেখার পরে তারা শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পরিচালককে। তার মতে, ওয়েব সিরিজের পটভূমি প্রাক-স্বাধীনতার সময়কালের, অবিভক্ত ভারতের গল্প উঠে এসেছে। তাই সীমান্তের ওপারেও সমান উত্তেজনা ‘হীরামান্ডি’কে ঘিরে। বানসালি আরও এক বার স্মরণ করিয়ে দিলেন, সকলেই এক, কোনও বিভেদ নেই। দুই দেশের মানুষকে সমান গুরুত্ব দেন তিনি।
সঞ্জয় লীলা বানসালি বলেন, “আমার বিশ্বাস, আমরা এক। কোনও না কোনও ভাবে আমরা দুই দেশের মানুষ পরস্পরের সঙ্গে জুড়ে রয়েছি। দুই দেশের মানুষের প্রতি পূর্ণ ভালবাসা ও মর্যাদা রয়েছে আমার। হ্যাঁ, এটা ঠিক কথা কিছু মানুষ আছে যারা শুধু সমস্যা সৃষ্টি করে। কিন্তু সেগুলো এই ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক নয়”
লাহোরে প্রাক-স্বাধীনতা পর্বের প্রেক্ষাপটে তৈরি ‘হীরামান্ডি’তে মণীষা কৈরালা, সোনাক্ষী সিন্হা, অদিতি রাও হায়দরি অভিনয় করেছেন মুখ্য চরিত্রে। এছাড়া অন্যান্য চরিত্রে এক ঝাঁক অভিনেতার দেখা মিলেছে এই ওয়েব সিরিজে। এ ছাড়া একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা যাবে ফারদিন খানকে।
এ সিরিজ দিয়ে দীর্ঘদিন পর অভিনয়ে ফিরেছেন ফারদিন খান। সিরিজটিতে দেখানো হয়েছে লাহোরের এক যৌনপল্লির গল্পের চরিত্রে তখনকার সময়ের প্রেম, বিশ্বাসঘাতকতা, উত্তরাধিকার ও রাজনীতির মতো বিষয়গুলো। তারকাবহুল এ গল্পটি নির্মাণে খরচ হয়েছে ২০০ কোটি রুপি। এই প্রথম কোনো ভারতীয় সিরিজের নির্মাণে এমন বিপুল অর্থ খরচ হয়েছে।
