ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বিবিসিকে জানিয়েছে, ইসরায়েলের অভ্যন্তরে চলাচলের ওপর কিছু নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়েছে তবে বিস্তারিত আর কিছু বলেনি। ইসরায়েলের সংবাদপত্র টাইমস অফ ইসরায়েল বলেছে, ‘দেশব্যাপী ইসরায়েলিদের আর আশ্রয়কেন্দ্রের কাছাকাছি থাকার দরকার নেই। তবে এক স্থানে বেশি মানুষ জড় হওয়া ওপর নিষেধাজ্ঞা এবং সব শিক্ষামূলক কার্যক্রম ও স্কুল বন্ধ রাখা হবে।
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী বলেছে, তারা ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ধ্বংস করেছে।
একটি নতুন বিবৃতিতে আইডিএফ বলেছে, ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত আমাদের ভূখণ্ডে হানার আগেই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তা ধ্বংস করে ফেলেছে।
তারা বলেছে, দক্ষিণ ইসরায়েলের একটি আইডিএফ ঘাঁটির সামান্য ক্ষতি গয়েছে। এদিকে ইরান ইসরায়েলের দিকে দুই শতাধিক ড্রোন, ক্রুজ ও ব্যালাস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের এক বিশাল ঝাঁক ছুড়েছে। এক বিবৃতিতে এমনটি বলেছেন ইসরায়েল প্রতিরক্ষা বাহিনীর মুখপাত্র রিয়ার অ্যাডমিরাল ড্যানিয়েল হাগারি।
তিনি বলেন, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং এ অঞ্চলে থাকা মিত্ররা ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্রের বেশিরভাগই আটকে দিয়েছে। তার ভাষ্য, ইসরায়েলি ভূখণ্ডের বাইরে সেগুলো ভূপাতিত করা হয়েছে।
ড্যানিয়েল হাগারি বলেন, এ পর্যন্ত একজনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। কয়েকটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলে পড়ার পর একটি সামরিক স্থাপনা হালকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
সামরিক স্থাপনাটির বিষয়ে বিস্তারিত কোনো কিছু বলেননি তিনি।
আইডিএফ মুখপাত্র একজনের আহত হওয়ার বিষয়েও বিস্তারিত কিছু বলেননি। তবে এর আগে ইসরায়েলের অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস জানায়, আরাদ অঞ্চলের বেদুইন এলাকায় পড়ন্ত ধ্বংসাবশেষের টুকরোর আঘাতে আহত ১০ বছর বয়সী এক শিশুকে চিকিৎসা দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।
১ এপ্রিল সিরিয়ায় তেহরানের কনস্যুলেটে হামলার পর ইরান প্রতিশোধ নেওয়ার প্রতিজ্ঞা করে। ইরান হামলার জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করে।
হামলায় একাধিক ইরানি কমান্ডার নিহত হন। সেই হামলার জবাবে এসব ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়ল ইরান।
সূত্র : বিবিসি