বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দশম আসরে ইমরুল কায়েসকে আর নেতৃত্ব দিতে দেখা যাবে না। তার পরিবর্তে ওপেনার লিটন দাসকে নেতৃত্বভার দিয়েছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স কর্তৃপক্ষ। তবে বিষয়টি বেশ স্বাভাবিকভাবেই দেখছেন ইমরুল। তার দাবি, যোগ্য লোকের হাতেই কুমিল্লার নেতৃত্ব পড়েছে।
বিপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল দল কুমিল্লা। এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ চারবার ঘরোয়া এই টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতেছে তারা।
২০১৫ সালে মাশরাফী বিন মোর্ত্তজার অধীনে প্রথমবার শিরোপা ছুঁয়ে ছিল ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। এরপর ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৩ সালে আরও তিনবার শিরোপা উৎসবে মেতেছে কুমিল্লা। এই তিনবারই দলটির অধিনায়কত্ব করেছেন ইমরুল। আর প্রত্যেকবারই প্রধান কোচের দায়িত্বে ছিলেন মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন। তবে এবারের বিপিএলের শুরুতেই ইমরুলকে দেশসেরা এই কোচ জানিয়ে দেন এবার আর অধিনায়ক থাকছেন না ইমরুল।
ইমরুলের ভাষ্য, গত পরশু আমাকে আমার কোচ (সালাহউদ্দিন) জানিয়েছে। অনুশীলনের সময়। এটা আমার কাছে স্বাভাবিক লেগেছে। আমি কখনো অধিনায়কত্ব নিয়ে চিন্তাও করি না, যে আমার নেতৃত্ব দিতেই হবে। দেখেন স্টিভ স্মিথ যখন অধিনায়ক ছিল, যাওয়ার পর কিন্তু আমি করেছিলাম। তো ওগুলোও স্বাভাবিকভাবেই নিয়েছিলাম। এখন যে অধিনায়কত্ব চলে গেছে, সেটাও স্বাভাবিকভাবেই নিচ্ছি।
এই ওপেনার যোগ করেন, আমার কাছ থেকে আরেকজনের কাছে গেছে, এটাও স্বাভাবিকভাবে নিলাম। খেলোয়াড় হিসেবে দলে অবদান রাখতে চাই। একটা সময় পরিবর্তন হতেই হতো। আমার মনে হয় যোগ্য ব্যক্তিকেই অধিনায়কত্ব দেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করেই তারা সেটা চিন্তা করেছে।
বাঁহাতি এই ব্যাটারের বিশ্বাস, ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করেই নেতৃত্বে বদল এনেছে কুমিল্লা।
ইমরুলের মতে, না, না, একদমই না। আমি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে খেলাটা উপভোগ করি। যখন অধিনায়ক ছিলাম, বাড়তি একটা দায়িত্ব কাজ করতো। কোচের (সালাহউদ্দিন) সঙ্গে একটা বোঝাপড়া ছিল, যেটা ভালো ছিল। আমার কাছে এটা একেবারেই কঠিন ছিল না। পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে আপনি যেখানেই খেলেন আপনাকে মানিয়ে নিতে হবে। প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজির নিজস্ব পরিকল্পনা থাকে। আমি মনে করি, আমাদের ফ্র্যাঞ্চাইজির একটা পরিকল্পনা আছে। তারা ওই পরিকল্পনাতেই আগাচ্ছে।