টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আর্চারকে পাওয়ার আশায় ইংল্যান্ড

প্রকাশিতঃ এপ্রিল ৬, ২০২৪ | ৯:২৯ পূর্বাহ্ণ
অনলাইন নিউজ ডেক্স

লম্বা সময় পর চোট কাটিয়ে দলে ফেরার অপেক্ষায় আছেন জফ্রা আর্চার। তারই অংশ হিসেবে এরই মধ্যে টুকটাক খেলা শুরু করেছেন এই ফাস্ট বোলার। আসছে পাকিস্তান সিরিজ দিয়েই ফিরতে পারেন তিনি। তবে তাকে নিয়ে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের মূল পরিকল্পনা আসছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, এমনটিই জানিয়েছেন দলটির ক্রিকেট পরিচালক রব কি। কনুইয়ের চোটের কারণে ২০২১ ও ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে পারেননি আর্চার। কয়েক দফায় অস্ত্রোপচারের পর গত বছরের জানুয়ারিতে ফেরেন মাঠে। কয়েক ম্যাচ খেলার পর গত বছরের মে মাসে আবারও মাথাচাড়া দেয় পুরোনো সমস্যা। এরপর থেকে আর প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে মাঠে নামতে পারেননি আর্চার। এখন সেরে উঠেছেন অনেকটাই। গত মাসে কাউন্টি দল সাসেক্সের সঙ্গে ক্যাম্প করেন ভারতে। সেখানে বোলিংও করেন ডানহাতি এই পেসার। এখন ওয়েস্ট ইন্ডিজে আছেন আর্চার, সেখানে খেলবেন ক্লাব ক্রিকেটে। লক্ষ্য জাতীয় দলে ফেরা। আগামী মে মাসের শেষ দিকে ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টির সিরিজ খেলবে ইংল্যান্ড। ওই সিরিজেই গতিময় এই বোলারকে নিয়ে আশায় রব কি। বিশ্বকাপে আর্চারকে পাওয়া যাবে কিনা, স্কাই স্পোর্টসে এমন প্রশ্নের উত্তরে ইংলিশ সাবেক ব্যাটসম্যান বলেন, “অবশ্যই (সে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলবে)। প্রাক-মৌসুমে সাসেক্সের সঙ্গে ভারতে ছিল জফ্রা। সেখানে সে দ্রুত গতিতে বল করেছে এবং সত্যিই ভালো বোলিং করেছে। এখন সে ক্যারিবিয়ানে ফিরে গেছে, সেখানে কিছু ক্লাব ক্রিকেট খেলবে।” “এ সবকিছুই তার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুত হওয়ার প্রক্রিয়া। আশা করি, সে পাকিস্তান সিরিজে খেলবে। এই মুহূর্তে জফ্রাকে নিয়ে আশা করা ছাড়া কিছু করার নেই।” তবে এখনই আর্চারকে টেস্ট ক্রিকেটে ফেরানোর লক্ষ্য নেই বলেও জানান রব কি। আগামী বছর ভারত সিরিজ দিয়ে ২৯ বছর বয়সী পেসারকে সাদা পোশাকের সংস্করণে ফেরানোর পরিকল্পনা তাদের। “আমরা আস্তে ধীরে এগিয়ে যাব, যাতে তাকে শুধু অল্প সময়ের জন্য নয়, দীর্ঘ সময়ের জন্য ফিরে পেতে পারি। জফ্রাকে নিয়ে পরিকল্পনা হলো, এই গ্রীষ্মে সে সাদা বলের ক্রিকেট খেলবে। এরপর আশা করি, পরের গ্রীষ্মে যখন আমরা ভারতের বিপক্ষে খেলব এবং বছরের শেষ দিকে অ্যাশেজ খেলব, তখন তাকে টেস্টে ক্রিকেটে পাব।” ২০১৯ সালে ইংল্যান্ডের হয়ে আন্তর্জাতিক অভিষেকের পর ওই বছরই ইংলিশদের একমাত্র ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ে বল হাতে সবচেয়ে বড় অবদান রাখেন আর্চার।