বেজায় বাজে সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। মৌসুমে ২৪ ম্যাচের ১২ টিই হেরেছে। সবশেষটি ঘরের মাঠে ৩-০ তে বোর্নমাউথের কাছে। তার আগে ইউরোপীয় প্রতিযোগিতা থেকেও বিদায় নিয়েছে তারা তলানিতে থেকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ পর্ব শেষ করায়।
এমন একটা সময়েই কিনা টেন হাগের দলকে এনফিল্ড সফর করতে হচ্ছে।
লিভারপুলের যে মাঠে সবশেষ মুখোমুখিতে রেকর্ড ৭-০ গোলের লজ্জায় ডুবতে হয়েছিল রেড ডেভিলদের। টেন হাগ অবশ্য সেই হারটাকে শিক্ষা হিসেবে নিয়ে এবারের মুখোমুখিতে তা কাজে লাগাতে চাইছেন, ‘এনফিল্ডে খেলাটা অসাধারণ। আবার এটা কঠিনও।
তবে শীর্ষ পরযায়ের সব ফুটবলারই এই চ্যালেঞ্জটা নিতে চাইবে। গত মৌসুমে যা হয়েছে আমদের মনে আছে। তবে এর একটা ইতিবাচক দিকও আছে। সেটা হলো শিক্ষা।
সেই শিক্ষাটা এবার আমরা দেখাতে চাই।’
লিভারপুলের বিপক্ষে যদিও গত পাঁচ ম্যাচের রেকর্ডও ম্যানইউর পক্ষে কথা বলবে না। ঐ পাঁচ ম্যাচের চারটিতেই যে হেরেছে তারা। গোল হজম করেছে ২১ টি। এনফিল্ডে এবারও যে কঠিন সময় অপেক্ষা করছে টেন হাগ শিষ্যদের বলাই যায়।
তবে ডাচ কোচ ফুটবলারদের দিচ্ছেন লড়াইয়ের মন্ত্র, ‘এনফিল্ডে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আমাদের আত্মবিশ্বাস ধরে রাখতে হবে। আমাদের লড়তে হবে, আমাদের চ্যালেঞ্জট নিতে হবে।’
লিভারপুল কোচ ইউর্গেন ক্লপও অবশ্য ৭-০ এর তৃপ্তি ধরে বসে নেই। ম্যানইউকে বরং তাঁর কাছে আহত ও ভয়ঙ্কর মনে হচ্ছে, ‘সত্যি বলতে আমাদের মুখোমুখি হওয়ার আগে ম্যানইউকে নিয়ে হতাশাজনক খবর দেখে আমি মোটেও আনন্দিত নই। বরং বিষয়টা এমন যে তাদের কাছে এখন এটাই সে ম্যাচ যেখানে এ সব কিছু পাল্টে দেওয়ার জন্য ওরা সর্বস্ব ঢেলে দেবে।’ অলরেডরা নিজেদের মাঠে এখনো পর্যন্ত অবশ্য লিগের সব ম্যাচই জিতেছে। এদিকে ম্যানইউকে আগামীকালের এ ম্যাচে খেলতে হবে ব্রুনো ফার্নান্দেজ, কাসেমিরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেসের মত ফুটবলারদের ছাড়াই। এএফপি